ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে যে ১০টি বিষয় জানা দরকার
নিজের একটি ব্যবসা শুরু করার চিন্তা অনেকের কাছেই আকর্ষণীয়। চাকরি বা অন্য কাজের পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি করা, নিজের সিদ্ধান্তে কাজ করা এবং ধীরে ধীরে একটি স্থায়ী আয়ের উৎস গড়ে তোলার জন্য ছোট ব্যবসা হতে পারে একটি বাস্তবসম্মত পথ। তবে ব্যবসার আইডিয়া ভালো হলেই সফলতা নিশ্চিত হয় না। একটি ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে বাজার, ক্রেতা, পুঁজি, খরচ, প্রতিযোগিতা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন।
অনেকে শুধু কোনো একটি পণ্যের চাহিদা দেখে ব্যবসা শুরু করে দেন। পরে দেখা যায়, পণ্য বিক্রি হলেও লাভ খুব কম, ক্রেতা নিয়মিত নয় অথবা খরচ প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। তাই ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করে নেওয়া উচিত। এতে শুরুতেই ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা কমে এবং ব্যবসাটিকে ধীরে ধীরে পরিকল্পিতভাবে বড় করার সুযোগ তৈরি হয়।
ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে কেন পরিকল্পনা জরুরি?
ব্যবসা শুরু করার আগে পরিকল্পনা করা মানে শুধু কত টাকা দিয়ে কী পণ্য কিনবেন তা ঠিক করা নয়। ব্যবসার মূল উদ্দেশ্য কী, কার কাছে পণ্য বা সেবা বিক্রি করবেন, কোথা থেকে পণ্য সংগ্রহ করবেন এবং মাসিক খরচ কত হতে পারে এসব বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।
ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে শুরুতে মূলধন সীমিত থাকার কারণে ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাবও বেশি হতে পারে। তাই বড় বিনিয়োগ করার আগে ছোট পরিসরে ধারণাটি পরীক্ষা করা অনেক সময় কার্যকর হয়। প্রথম দিকে কম পণ্য নিয়ে বিক্রি শুরু করে ক্রেতাদের প্রতিক্রিয়া দেখা গেলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে যে ১০টি বিষয় জানা দরকার
১. ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে বাজারের চাহিদা বুঝুন
কোনো ব্যবসা শুরু করার আগে প্রথমেই জানতে হবে আপনার পণ্য বা সেবার জন্য বাস্তবে ক্রেতা আছে কি না। নিজের কাছে একটি পণ্য ভালো মনে হওয়া আর বাজারে সেই পণ্যের নিয়মিত চাহিদা থাকা দুটি বিষয় এক নয়। তাই ব্যবসা শুরু করার আগে সম্ভাব্য ক্রেতারা কী চান এবং তারা বর্তমানে কী ধরনের পণ্য ব্যবহার করছেন তা বোঝার চেষ্টা করুন।
স্থানীয় বাজার, অনলাইন মার্কেটপ্লেস, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপ এবং পরিচিত ক্রেতাদের মতামত থেকে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যেতে পারে। একই ধরনের পণ্য কোথায় বিক্রি হচ্ছে এবং ক্রেতারা কোন বিষয়গুলো নিয়ে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন সেটিও লক্ষ্য করা দরকার।
বাজার যাচাই করার সময় আপনি কয়েকটি বিষয় খেয়াল করতে পারেন:
পণ্যটির নিয়মিত চাহিদা আছে কি না
সম্ভাব্য ক্রেতা কারা
ক্রেতারা কত দামে কিনতে আগ্রহী
একই পণ্য কতজন বিক্রি করছে
বাজারে নতুনভাবে প্রবেশ করার সুযোগ আছে কি না
২. ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে মোট মূলধন হিসাব করুন
ব্যবসার জন্য কত টাকা প্রয়োজন হবে সেটি আগে হিসাব না করে বিনিয়োগ করা ঠিক নয়। শুধু পণ্য কেনার টাকা হিসাব করলেই হবে না; পরিবহন, প্যাকেজিং, দোকান বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের খরচ, প্রচার এবং অন্যান্য ছোটখাটো ব্যয়ও বিবেচনায় রাখতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি অনলাইনে কোনো পণ্য বিক্রি করতে চান, তাহলে পণ্য কেনার পাশাপাশি প্যাকেজিং, ডেলিভারি, বিজ্ঞাপন এবং ফেরত আসা পণ্যের সম্ভাব্য খরচও মাথায় রাখা প্রয়োজন।
শুরু করার আগে একটি সহজ বাজেট তৈরি করতে পারেন:
প্রাথমিক পণ্য বা কাঁচামালের খরচ
সরঞ্জাম বা প্রয়োজনীয় উপকরণের খরচ
প্যাকেজিং ও পরিবহন
প্রচার ও বিজ্ঞাপন
মাসিক পরিচালন ব্যয়
জরুরি পরিস্থিতির জন্য অতিরিক্ত অর্থ
এভাবে হিসাব করলে আপনার হাতে থাকা মূলধন অনুযায়ী ব্যবসার আকার নির্ধারণ করা সহজ হবে।
৩. ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে লক্ষ্য ক্রেতা নির্ধারণ করুন
সব মানুষের কাছে একই পণ্য বিক্রি করা সম্ভব নয়। আপনার ব্যবসার জন্য নির্দিষ্ট ধরনের ক্রেতা নির্ধারণ করলে পণ্য নির্বাচন, মূল্য নির্ধারণ এবং প্রচারের পরিকল্পনা অনেক সহজ হয়ে যায়।
ধরুন আপনি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু পণ্য বিক্রি করবেন। সেক্ষেত্রে আপনার সম্ভাব্য ক্রেতা হতে পারে স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আবার অফিসের কর্মীদের জন্য কোনো পণ্য হলে আপনার প্রচারের ভাষা ও বিক্রির পদ্ধতিও আলাদা হবে।
লক্ষ্য ক্রেতা নির্ধারণের সময় বিবেচনা করতে পারেন:
বয়স
পেশা
অবস্থান
কেনাকাটার অভ্যাস
প্রয়োজন
সম্ভাব্য বাজেট
৪. ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে প্রতিযোগীদের সম্পর্কে জানুন
আপনি যে ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন, সেখানে অন্য ব্যবসায়ী থাকাটাই স্বাভাবিক। প্রতিযোগী থাকা মানেই ব্যবসাটি করা যাবে না বরং তাদের কাজ দেখে বাজার সম্পর্কে বাস্তব ধারণা নেওয়া যায়।
প্রতিযোগীদের পণ্যের দাম, মান, প্যাকেজিং, গ্রাহকসেবা এবং প্রচারের ধরন লক্ষ্য করুন। তবে তাদের ব্যবসা হুবহু অনুসরণ না করে নিজের ব্যবসার আলাদা বৈশিষ্ট্য তৈরি করার চেষ্টা করুন।
আপনার ব্যবসাকে আলাদা করার কিছু উপায় হতে পারে:
ভালো গ্রাহকসেবা
নির্ভরযোগ্য পণ্যের মান
আকর্ষণীয় প্যাকেজিং
দ্রুত যোগাযোগ
পরিষ্কার তথ্য প্রদান
নির্দিষ্ট কোনো ক্রেতাগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ পণ্য
৫. ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে লাভ-ক্ষতির হিসাব করুন
বিক্রির পর হাতে টাকা থাকলেই সেটিকে লাভ বলা যায় না। পণ্য কেনার খরচের পাশাপাশি ব্যবসার অন্যান্য ব্যয় বাদ দেওয়ার পর প্রকৃত লাভ কত থাকে সেটি হিসাব করতে হবে।
একটি পণ্যের ক্রয়মূল্য যদি ২০০ টাকা হয় এবং সেটি ২৫০ টাকায় বিক্রি করেন, তাহলে ৫০ টাকা পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এর সঙ্গে যদি প্যাকেজিং, পরিবহন, অনলাইন বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য খরচ থাকে, তাহলে প্রকৃত লাভ আরও কম হতে পারে।
তাই ব্যবসা শুরু করার আগে প্রতিটি পণ্যের জন্য আনুমানিক হিসাব তৈরি করুন:
ক্রয়মূল্য
বিক্রয়মূল্য
প্রতি পণ্যে অতিরিক্ত খরচ
সম্ভাব্য লাভ
মাসিক স্থায়ী খরচ
এই হিসাব আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে ব্যবসাটি বাস্তবে কতটা টেকসই হতে পারে।
৬. ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে পণ্যের মান নিশ্চিত করুন
কম দামে পণ্য বিক্রি করাই সবসময় ব্যবসার সাফল্যের চাবিকাঠি নয়। পণ্যের মান খারাপ হলে একজন ক্রেতা হয়তো একবার কিনবেন, কিন্তু ভবিষ্যতে আবার নাও কিনতে পারেন। একই সঙ্গে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা অন্য সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছেও পৌঁছাতে পারে।
তাই ব্যবসার শুরু থেকেই পণ্যের মান সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। সরবরাহকারীর কাছ থেকে পণ্য নেওয়ার আগে নমুনা পরীক্ষা করা এবং একাধিক উৎসের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে।
বিশেষ করে খাবার, প্রসাধনী, ইলেকট্রনিক পণ্য বা দৈনন্দিন ব্যবহারের পণ্যের ক্ষেত্রে মান ও নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত।
৭. ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে বিক্রির মাধ্যম ঠিক করুন
ব্যবসা কোথায় পরিচালনা করবেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে ছোট ব্যবসা শুধু দোকানের ওপর নির্ভর করে না। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী দোকান, বাসা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিজস্ব ওয়েবসাইট বা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা যেতে পারে।
অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা হলে পণ্যের ছবি, বিবরণ, মূল্য, অর্ডার নেওয়ার পদ্ধতি এবং ডেলিভারি ব্যবস্থা আগে থেকেই পরিষ্কার করা ভালো। আর স্থানীয় ব্যবসা হলে দোকানের অবস্থান, ক্রেতার যাতায়াত এবং স্থানীয় চাহিদা বিবেচনা করা দরকার।
সঠিক বিক্রির মাধ্যম বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবসার ধরন এবং লক্ষ্য ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।
৮. ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে প্রচারের পরিকল্পনা করুন
ভালো পণ্য থাকলেও মানুষ যদি আপনার ব্যবসা সম্পর্কে না জানে, তাহলে বিক্রি শুরু করা কঠিন হতে পারে। তাই ব্যবসা শুরুর আগেই কীভাবে সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাবেন তার একটি পরিকল্পনা থাকা দরকার।
ছোট ব্যবসার প্রচারের জন্য বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করা যায়। যেমন:
Facebook পেজ বা গ্রুপ
Instagram
YouTube
নিজস্ব ওয়েবসাইট
স্থানীয় পরিচিত নেটওয়ার্ক
ক্রেতাদের রেফারেল
প্রয়োজন অনুযায়ী অনলাইন বিজ্ঞাপন
তবে শুরুতেই অনেক টাকা বিজ্ঞাপনে ব্যয় করার প্রয়োজন নেই। প্রথমে সীমিত পরিসরে প্রচার করে কোন মাধ্যম থেকে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।
৯. ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা রাখুন
প্রতিটি ব্যবসার কিছু না কিছু ঝুঁকি থাকে। পণ্যের চাহিদা কমে যেতে পারে, দাম পরিবর্তিত হতে পারে, প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে বা কোনো কারণে বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হতে পারে। এসব সম্ভাবনা আগে থেকে বিবেচনা করলে হঠাৎ সমস্যায় পড়ার ঝুঁকি কমে।
ব্যবসার ঝুঁকি কমানোর জন্য একসঙ্গে অনেক পণ্য কিনে বড় বিনিয়োগ না করে প্রথমে সীমিত পরিমাণে শুরু করা যেতে পারে। একইভাবে একজন সরবরাহকারীর ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করে বিকল্প উৎস সম্পর্কেও ধারণা রাখা ভালো।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ব্যবসার পুরো মূলধন এক জায়গায় ব্যবহার না করে প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু অর্থ জরুরি পরিস্থিতির জন্য সংরক্ষণ করা।
১০. ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে হিসাব ও আইনি বিষয় বুঝুন
ব্যবসা শুরু করার পর আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়মিত রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কত টাকা বিক্রি হলো, কত টাকা খরচ হলো এবং কত টাকা হাতে থাকল এসব তথ্য লিখে রাখলে ব্যবসার প্রকৃত অবস্থা বোঝা সহজ হয়।
ব্যবসার ধরন ও অবস্থান অনুযায়ী স্থানীয় আইন, প্রয়োজনীয় নিবন্ধন, লাইসেন্স, কর বা অন্যান্য সরকারি নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। তাই ব্যবসা শুরু করার আগে আপনার এলাকার জন্য প্রযোজ্য নিয়ম সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য সরকারি উৎস থেকে তথ্য যাচাই করা উচিত।
একটি সাধারণ হিসাব ব্যবস্থায় অন্তত এসব তথ্য রাখতে পারেন:
দৈনিক বা সাপ্তাহিক বিক্রি
পণ্য কেনার খরচ
পরিবহন ও ডেলিভারি খরচ
বিজ্ঞাপন খরচ
অন্যান্য পরিচালন ব্যয়
মোট লাভ বা ক্ষতি
ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে একটি সহজ পরিকল্পনা
আপনার ব্যবসার ধারণা যদি নতুন হয়, তাহলে শুরুতেই বড় আকারে বিনিয়োগ না করে একটি ছোট পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন। এতে ব্যবসার সম্ভাবনা যাচাই করার সুযোগ থাকবে এবং ভুল হলে ক্ষতির পরিমাণও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।
একটি প্রাথমিক পরিকল্পনায় নিচের বিষয়গুলো লিখে রাখুন:
ব্যবসার ধরন কী হবে
পণ্য বা সেবা কী হবে
সম্ভাব্য ক্রেতা কারা
কোথা থেকে পণ্য বা কাঁচামাল সংগ্রহ করবেন
মোট কত টাকা প্রয়োজন
প্রতি পণ্যে আনুমানিক লাভ কত
কোথায় বা কীভাবে বিক্রি করবেন
কীভাবে প্রচার করবেন
সম্ভাব্য ঝুঁকি কী
ব্যবসা ভালো চললে কীভাবে বড় করবেন
ছোট ব্যবসায় শুরুতেই কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন?
নতুন উদ্যোক্তারা অনেক সময় উৎসাহের কারণে ব্যবসার কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক উপেক্ষা করেন। যেমন বাজার যাচাই না করে পণ্য কেনা, ব্যক্তিগত ও ব্যবসার টাকা একসঙ্গে ব্যবহার করা অথবা বিক্রির হিসাব না রাখা। এসব ভুল ছোট ব্যবসার আর্থিক অবস্থাকে দুর্বল করে দিতে পারে।
শুরুতে বিশেষভাবে এড়িয়ে চলুন:
বাজার যাচাই না করে বেশি পণ্য কেনা
শুধু অন্যের ব্যবসা দেখে একই ব্যবসা শুরু করা
লাভের হিসাব না করে দাম নির্ধারণ করা
সব মূলধন একবারে বিনিয়োগ করা
ব্যক্তিগত খরচ ও ব্যবসার টাকা মিশিয়ে ফেলা
ক্রেতার অভিযোগ বা মতামত উপেক্ষা করা
বিক্রির হিসাব লিখে না রাখা
ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে শেষ কথা
ছোট ব্যবসা শুরু করার জন্য সবসময় বিশাল মূলধন বা বড় অফিসের প্রয়োজন হয় না। বরং একটি পরিষ্কার ধারণা, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা এবং ক্রেতার প্রয়োজন বোঝার ক্ষমতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে ব্যবসা ছোট হলেও পরিকল্পনাটি ছোট হওয়া উচিত নয়।
ছোট ব্যবসা শুরু করার আগে বাজারের চাহিদা, মূলধন, লক্ষ্য ক্রেতা, প্রতিযোগিতা, পণ্যের মান, লাভ-ক্ষতি, বিক্রির মাধ্যম এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা নিন। প্রথমে সীমিত পরিসরে শুরু করে ফলাফল পর্যবেক্ষণ করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা পরিবর্তন করুন। ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা ও ক্রেতার আস্থা তৈরি হলে ব্যবসার পরিধিও বাড়ানো সম্ভব।


অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url